Saturday, May 16, 2015

আপনারা মোবাইল এবং পিসি থেকে সম্পূর্ণ ফ্রী তে দেশে এবং বিদেশে কল করতে পারবেন


Bigo ব্যবহার করব কেমন করে?


১. Bigo ব্যবহার করতে চাইলে আপনার অবশ্যই একটি Android Device অথবা পিসি থাকতে হবে।


২. আপনার মোবাইল নাম্বার টি দিয়ে একটি Bigo Account নিবন্ধন করতে হবে।


৩. তারপর নম্বর ডায়াল করে কল দিতে হবে।
কেন Bigo ?


১. Bigo তে চলছে এক চরম অফার! আপনি নিবন্ধন করার সাথে সাথে পেয়ে যাবেন ১১৬০ পয়েন্ট।


২. প্রতি মিনিট এর জন্য ১১ পয়েন্ট কাটা হবে Bangladeshi Number এ।


৩. বিভিন্ন দেশের কল রেট বিভিন্ন, যেমন Chaina এর জন্য প্রতি মিনিট মাত্র ১ পয়েন্ট।


৪. প্রতি বার এর কল এ নাম্বার পরিবর্তন হয়ে যায়।





৫. যাকে কল দিবেন তার BIGO থাকতে হবে না।


৬. প্রতিবারের লগইন এ পেয়ে যাবেন ২০ পয়েন্ট করে।


৭. কোন বন্ধু কে INVITE করলে পেয়ে যাবেন ২০০ পয়েন্ট।


৮. LIBON এর মত কল কথা আটকে যাবে না।


৯. কথা খুবই পরিস্কার ।


১০. Bigo থেকে Bigo তে করতে পারবেন ফ্রী Ultra HD ভিডিও কল।





১১. প্রতি মাসে পেয়ে যাবেন ১১৫২ ক্রেডিট!!!







download click here plsss.......... bigo

Thursday, May 14, 2015

এখন প্রতি জিবি ৩জি ইন্টারনেট ডাটা পাচ্ছেন মাত্র ২০ টাকায় ! সাথে মেয়াদ ১ বছর ..!



খন প্রতি জিবি ৩জি ইন্টারনেট ডাটা পাচ্ছেন মাত্র ২০ টাকায় ! সাথে মেয়াদ ১ বছর ! এমন অবিশ্বাস্য শিরোনামে অনেকের চোখটি কপালে ওঠে যাওয়ারই কথা। আবার কেউ কেউ শিরোনাম


দেখে ভাবছেন এটা একটা গাঁজা খুরি গল্প। হ্যাঁ যাহাই বলুন, গ্রাহকরা সচেতন হলেই বাংলাদেশে ইন্টারনেট প্যাকেজ বিক্রির জন্য আমার শিরোনামটিই হবে ভবিষ্যতে প্রোভাইডারদের ইন্টারনেট বিক্রির একমাত্র বিজ্ঞাপন জিঞ্জেল ।


এই মুহুর্তে দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের সবচেয়ে কম রেটের ১ জিবির প্যাকেজের সবনিম্ন দাম ২৭৫+ ১৫%ভ্যাট। আর ছোট প্যাকেজ গুলোর মধ্যে গ্রামীণের প্রতি ১০ কিলোবাইট ১ পয়সা হারে ১জিবির দাম ১০ হাজার ২শ ৪০ টাকা। না হিসাব করে নিয়মিত এই দামেই আমরা সবাই নেট ব্যবহার করছি।


আমাদের দেশের ইন্টারনেটের দাম বিশ্বের শীর্ষে থাকলে ও গতিতে আমরা সবার নিচে। কারণ ২০১৫ সালেও বাংলাদেশের জনগণ এখনও ১০ কেবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছে ।


অথচ এখন আমাদের দেশে প্রতি জিবি নেটের উপযুক্ত দাম মাত্র ২০ টাকাই হওয়ার কথা ছিল।


কারণ ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানী গুলো সরকারের কাছে থেকে মেগাবিট স্পীডের প্রতি জিবি ডাটা ক্রয় করছে গড়ে মাত্র ১৩.৫৮ টাকায়। আর তা কিলোবাইট স্পীডে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছে গড়ে ৩৪৫ টাকার ও বেশি মূল্যে !


সত্যিই অবিশ্বাস্য এক ডিজিটাল ব্যবসা!


এই উচ্চহারে দাম দিয়েও আমার অত্যন্ত ধীর গতির (জিপিআরএস এবং ইডিজিই) ইন্টারনেট ব্যবহার করে প্রতিদিন আমাদের কোটি কোটি ঘন্টা মূল্যবান সময় নষ্ট করছি।


অন্য হিসাবে ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানী গুলো সরকার থেকে বর্তমানে প্রতি মেগাবাইট/সেকেন্ড ব্যান্ডউইডথ কিনছে ৪ হাজার ৮০০ টাকায়(২০১৩)।কিন্তু ১৯৯৬ সালে এ ব্যান্ডউইডথের দাম ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আর ২০০৪ সালে ছিল ৭২ হাজার টাকায়। ওই সময়ে ইন্টারনেটের গ্রাহক মূল্্য যা ছিল এখন ৪ হাজার ৮০০ টাকায় ও তাই আছে।


সরকার নেটের খরচকে গ্রাহকের হাতের নাগালে রাখতে ১৯৯৬,২০০৪,২০০৮,২০০৯,২০১১.২০১১.২০১৩ সালে দফায় দফায় ৭বার ব্যান্ডউইডথের দাম কমানো হলেও গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম ১ বার ও কমেনি। বরং উল্টো নানা ধরনের প্যাকেজ সাজিয়ে গ্রাহকের পকেট কাটছে দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুলো।খরচ না কমিয়ে তারা কৌশলে নানা ধরনের প্যাকেজ কিংবা গতি বাড়ানোর মধ্যেই কার্যত সীমাবদ্ধ থেকেছে। আবার মাঝে মধ্যে গ্রাহকদের দাবিতে সুকৌশলে যেসব প্যাকেজ সাধারণত ব্যবহার করা হয় না সেগুলোর দাম কমিয়েছে অপারেটরগুলো।


খন প্রতি জিবি ৩জি ইন্টারনেট ডাটা পাচ্ছেন মাত্র ২০ টাকায় ! সাথে মেয়াদ ১ বছর ! এমন অবিশ্বাস্য শিরোনামে অনেকের চোখটি কপালে ওঠে যাওয়ারই কথা। আবার কেউ কেউ শিরোনাম


দেখে ভাবছেন এটা একটা গাঁজা খুরি গল্প। হ্যাঁ যাহাই বলুন, গ্রাহকরা সচেতন হলেই বাংলাদেশে ইন্টারনেট প্যাকেজ বিক্রির জন্য আমার শিরোনামটিই হবে ভবিষ্যতে প্রোভাইডারদের ইন্টারনেট বিক্রির একমাত্র বিজ্ঞাপন জিঞ্জেল ।


এই মুহুর্তে দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের সবচেয়ে কম রেটের ১ জিবির প্যাকেজের সবনিম্ন দাম ২৭৫+ ১৫%ভ্যাট। আর ছোট প্যাকেজ গুলোর মধ্যে গ্রামীণের প্রতি ১০ কিলোবাইট ১ পয়সা হারে ১জিবির দাম ১০ হাজার ২শ ৪০ টাকা। না হিসাব করে নিয়মিত এই দামেই আমরা সবাই নেট ব্যবহার করছি।


আমাদের দেশের ইন্টারনেটের দাম বিশ্বের শীর্ষে থাকলে ও গতিতে আমরা সবার নিচে। কারণ ২০১৫ সালেও বাংলাদেশের জনগণ এখনও ১০ কেবিপিএস গতির ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছে ।


অথচ এখন আমাদের দেশে প্রতি জিবি নেটের উপযুক্ত দাম মাত্র ২০ টাকাই হওয়ার কথা ছিল।


কারণ ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানী গুলো সরকারের কাছে থেকে মেগাবিট স্পীডের প্রতি জিবি ডাটা ক্রয় করছে গড়ে মাত্র ১৩.৫৮ টাকায়। আর তা কিলোবাইট স্পীডে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছে গড়ে ৩৪৫ টাকার ও বেশি মূল্যে !


সত্যিই অবিশ্বাস্য এক ডিজিটাল ব্যবসা!


এই উচ্চহারে দাম দিয়েও আমার অত্যন্ত ধীর গতির (জিপিআরএস এবং ইডিজিই) ইন্টারনেট ব্যবহার করে প্রতিদিন আমাদের কোটি কোটি ঘন্টা মূল্যবান সময় নষ্ট করছি।


অন্য হিসাবে ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানী গুলো সরকার থেকে বর্তমানে প্রতি মেগাবাইট/সেকেন্ড ব্যান্ডউইডথ কিনছে ৪ হাজার ৮০০ টাকায়(২০১৩)।কিন্তু ১৯৯৬ সালে এ ব্যান্ডউইডথের দাম ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আর ২০০৪ সালে ছিল ৭২ হাজার টাকায়। ওই সময়ে ইন্টারনেটের গ্রাহক মূল্্য যা ছিল এখন ৪ হাজার ৮০০ টাকায় ও তাই আছে।


সরকার নেটের খরচকে গ্রাহকের হাতের নাগালে রাখতে ১৯৯৬,২০০৪,২০০৮,২০০৯,২০১১.২০১১.২০১৩ সালে দফায় দফায় ৭বার ব্যান্ডউইডথের দাম কমানো হলেও গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম ১ বার ও কমেনি। বরং উল্টো নানা ধরনের প্যাকেজ সাজিয়ে গ্রাহকের পকেট কাটছে দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুলো।খরচ না কমিয়ে তারা কৌশলে নানা ধরনের প্যাকেজ কিংবা গতি বাড়ানোর মধ্যেই কার্যত সীমাবদ্ধ থেকেছে। আবার মাঝে মধ্যে গ্রাহকদের দাবিতে সুকৌশলে যেসব প্যাকেজ সাধারণত ব্যবহার করা হয় না সেগুলোর দাম কমিয়েছে অপারেটরগুলো।


এদিকে দেশে ইন্টারনেটের স্পিড ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। তার মধ্যেও সারা দেশের ৯০% গ্রাহক টুজি ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও গ্রামীণফোন গত ৩০ মাচ থেকে সকল টুজি প্যাকেজ বন্ধ করে দিয়ে গ্রাহকদের কে বেশি দামের ৩জি ডাটা কিনতে বাধ্য করছে। তারা দেশের কোন আইনের তোয়াক্কা না করে এবং ৩জি কভারেজ না দিয়েই গ্রাহকদের থেকে ৩জির টাকা নিচ্ছে।


সত্যিই আমার স্বাধীন দেশে আছি!


গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম কমানো বা স্পীড বাড়ানোর জন্য সরকারি উদ্যোগ লক্ষ করা যায় না।

পরিসংখ্যান এবং অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় আমাদের দেশের টাকা অনেকটা লুটপাট করেই নিয়ে যাচ্ছে বিদেশী এ কোম্পানী গুলো। তাদের কে সহযোগিতা করছে দেশে যারা প্রযুক্তির এ বিভাগটি দেখছে। আমার মতো গ্রাহকদের অভিযোগ আমাদের দেশের কিছু লোকই মূলত আমাদের কে শোষণ করতে বিদেশী এ কোম্পানীগুলো কে সাহায্য করছে।


আমাদের দেশে ইন্টারনেটের ইতিহাস:

বাংলাদেশে প্রথম অফ-লাইন ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯৩ সালে। ১৯৯৬ সালের ৬ জুন বাংলাদেশে সবার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। সে বছরই বাংলাদেশ প্রথম ভিস্যাটের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হয়। তখন প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেটের জন্য খরচ হতো ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু তখন সরকারিভাবে বিটিসিএল কোনো ব্যান্ডউইডথ বিক্রি করত না।


জিপিআরএস টেকনোলজি দিয়ে ২০০৪ সালে মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়। ২০০৫-এর শেষের দিকে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়। ২০০৬ সালে জিপিআরএসের তুলনায় কিছুটা গতি সম্পন্ন EDGE সার্ভিস চালু করে গ্রামীনফোন।২০০৮ সালে ওয়াইম্যাক্স সেবা পরিচালনার জন্য লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অজের প্রথম ওয়াইম্যাক্স সেবা কিউবি প্যাকেজ চালু করে ২২ নভেম্বর ২০০৯ সালে।


মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী:


গত ১ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে দৈনিক কালেরকন্ঠ মোবাইল কম্পানি এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)র তথ্যের ভিত্তিতে জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস শেষে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ৪ কোটি ৩৪ লাখ ১৯ হাজার। এর মধ্যে প্রায় সবাই মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ওয়াইম্যাক্স ব্যবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার। আর আইএসপি ও পিএসটিএনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ লাখ ৪৫ হাজার। একই সময়ে ফেব্রুয়ারিতে মোবাইল ফোনের গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ২৬ লাখ ৫৭ হাজার।


আমাদের কথা:

দেশে এখন ইন্টারনেটভিত্তিক কনটেন্টের (অডিও, ভিডিও, লাইভ খবর-মিডিয়া) ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে ইন্টারনেট চাহিদাও বেড়েছে বহুগুণ। দুঃখের বিষয়, মোবাইল অপারেটরগুলো নিজেদের ইচ্ছে মতো প্যাকেজ তৈরি করে গ্রাহকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ এসব ব্যাপারে বিটিআরসি নীরব ভূমিকা পালন করছে। সরকার ব্যান্ডউইডথের দাম কমিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছে। দেশের আইসিটি শিল্পের দ্রম্নত বিকাশ এবং দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ইন্টারনেট সেবার খরচ সাশ্রয়ী, সেবাবান্ধব এবং সহজলভ্য করতে হবে। বিপরীতে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে হবে।


আমাদের দাবী:

দফায় দফায় ইন্টারনেট ব্যান্ডইউথের দাম কমলেও গ্রাহক পর্যায়ে কোন প্রভাব নেই। তাই দাবী আদায়ের জন্য সরকার কে এগিয়ে আসতে হবে এবং ব্যবহারকারী কে জাগতে হবে। এখন প্রতি জিবি নেটের দাম মাত্র ২০ টাকা করাসহ নিম্নোক্ত দাবী পূরণ করতে হবে।


দাবীসমূহঃ

১. অতি শীঘ্রই ১ জিবি ডাটার দাম ২০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
২.৩জি কভারেজ না দিয়ে ২জি এলাকায় ৩জির বিল নেওয়া যাবে না।
৩. ডাটার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও অব্যবহিত ডাটা পরের ডাটা প্যাকেজ চালু করার
সাথে সাথে যোগ করে দিতে হবে ।
৪. ১ জিবির মেয়াদ ১ বছর করতে হবে।
৫. ফেয়ার ইউস পলিসি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে।
৬.নুন্যতম গতি নির্ধারণ করে করে পূর্ণ গতির ডাটা দিতে হবে ।
৭. আনলিমিটেড নামে কোন বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না।


৮. ফ্রি নামের কোন ডাটা অপার করা যাবে না।


( কারণ প্রতিটি ফ্রি অপার মানে নতুন প্রতারণা )

গুগল ক্রোমে কাজ করুন সহজে



ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার (ব্রাউজার) গুগল ক্রোেম কিছু বিষয় জানা থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়। জেনে নিন তেমন কিছু কৌশল।

জমা থাকবে সবকিছু: যদি একাধিক কম্পিউটারে কাজ করে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, তাহলে নতুন করে অন্য কম্পিউটারে গুগল ক্রোমের জন্য আলাদা সেটিংস করতে হবে না। চাইলেই একই বুকমার্কস, এক্সটেনশনস, থিম, হিস্ট্রিকে অন্য কম্পিউটারের ক্রোম ব্রাউজার থেকেও ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ, এক কম্পিউটারে যে কাজ করেছেন, একই কাজ বা ওয়েব ঠিকানা আর মনে রাখতে হবে না। অন্য কম্পিউটারে গিয়ে ঠিক সেটিই ব্যবহার করতে পারবেন। এ জন্য Sign in to Chrome-এ আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করে নিতে হবে। ক্রোমে লগইন করা না থাকলে ব্রাউজারের ওপরের ডান পাশের সেটিংস থেকে Sign in to Chrome-এ ক্লিক করুন। লগইন মেনু এলে জিমেইলের ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নিন। অন্য কম্পিউটারে কাজ করলে একই জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে আবার সেই ব্রাউজারে Sign in to Chrome-এ লগইন করতে হবে।

পিন ট্যাব: কোনো ওয়েব ঠিকানা বা সংযোগকে (লিংক) যদি প্রতিদিন খোলার দরকার পড়ে, তবে সেই ট্যাবকে পিন করে রাখতে পারেন। তাহলে সেই ট্যাব প্রতিবার ব্রাউজার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চলে আসবে। নতুন করে খোলার দরকার হবে না। এটি করতে কাঙ্ক্ষিত ট্যাবের ওপর মাউসের ডান বোতাম চেপে Pin tab-এ ক্লিক করুন।