Wednesday, September 30, 2015

পুরনো প্রেম ভুলতে গড়ে তিন মাস সময় লাগে মানুষের

প্রেম ভেঙ্গে যাবার পর জীবনে বড় ধরণের ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন বেশির ভাগ মানুষ। চাকরি বা পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া, মাদকাসক্ত হয়ে পড়া এগুলো খুবই সাধারণ কিছু উদাহরণ। এতে আসলে তাদের কোনো দোষ নেই।
|
|
বিজ্ঞান বলে, ব্রেকআপ হয়ে যাবার পরের সময়টিতে মানুষ খুবই আবেগি হয়ে থাকে এবং এ সময়ে শরীরে প্রভাব ফেলে কিছু হরমোন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, ঠিক এই একই হরমোন গুলো আমাদের প্রেমে পড়ার জন্য, প্রেমে আপ্লুত হবার জন্য দায়ী।
ভালোবাসার মানুষটিকে হারানোর পর আমাদের মস্তিষ্কের রাসায়নিক অবস্থায় আসে পরিবর্তন। আমাদের ব্রেকআপ হবার কষ্টটি আসলে শুধুমাত্র মানসিক কষ্ট নয়, বরং শারীরিক কষ্টও বটে, এতে একসয়ম বহু কষ্টে পরিণতি ধারণ করে। মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অংশ শারীরিক ব্যাথা পাওয়ার সময় উদ্দীপিত হয়।
|
|
MRI স্ক্যান করে দেখা যায়, সম্প্রতি ব্রেকআপ হওয়া মানুষের মস্তিষ্কের এই অংশটিতে রয়েছে সাধারণের চাইতে বেশি সক্রিয়তা। ফলে কর্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিনের মতো কিছু হরমোনের নিঃসরণ ঘটে। এসব হরমোন হলো স্ট্রেস হরমোন। এরা আমাদের শরীরে বমি বমি ভাব, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট এসব লক্ষণের জন্ম দেয়। শুধু তাই নয়, এ কারণে হৃৎপিণ্ডের পেশি গুলোতে এক ধরণের দুর্বলতা দেখা যায় যার পোশাকি নাম হলো Takotsubo cardiomyopathy। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ সমস্যাটি হতে পারে জীবন ঘাতী। মস্তিষ্কের ওপর হৃদয় ভঙ্গের প্রভাবের ব্যাপারে। স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ ছাড়াও আরো কিছু ঘটনা ঘটে এ সময়ে। (তথ্যটি collect করে নিলাম)
পুরানো প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে ব্রেকআপ হওয়ার পর যখন আমরা নতুন করে প্রেম করি, তখন প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার প্রতি ভালোবাসা থেকে যায়। আপনি যতই চেষ্টা করুন এর থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসতে, সেটা চাইলে কিন্তু হুট করে পারা যায় নাহ।
“”নিজের প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকার ছবির দিয়ে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় তাদের মস্তিষ্কের MRI করে এ থেকে বের হয়ে আসে চমকপ্রদ কিছু তথ্য।
|
|
একজন কোকেইন আসক্ত মানুষের মস্তিষ্কে যেমন সক্রিয়তা দেখা যায়, ব্রেকআপ হওয়া প্রেমিক বা প্রেমিকা মস্তিষ্কের অবস্থাও ছিলো অনেকটা তেমন! এর ব্যাখ্যাও পাওয়া যায় বিজ্ঞান থেকে। আপনি যখন কারো প্রেমে পড়ছেন, তখন কোকেইনের মতো ড্রাগ নেবার ফলাফল স্বরূপ নিঃসৃত হওয়া হরমোন ডোপামিনের আধিক্য দেখা যায় শরীরে। ফলে আমরা সুখের একটা অনুভূতিতে ভাসতে থাকি ঠিক সেই মূহুর্তে। আর এই প্রেমের যখন সমাপ্তি ঘটে তখন আপনার সেই মাদকতাময় অনুভূতিরও ঘটে সমাপ্তি। ফলে আমরা ড্রাগ উইথড্রয়ালের মতো কষ্টকর একটা সময়ের মধ্য দিয়ে যাই। ( তথ্যটি collect করে নিলাম)””
|
|
“কিন্তু ডোপামিনের একটা বৈশিষ্ট্য কি জানেন?” যার অর্থ সবসময় আরো বেশি চায়। যদিও কখনো ডোপামিনের আসক্ত হয়নি কিন্তু সেইসব মানুষের থেকে জানতে পারলাম এইটার অনুভূতি কি হতে পারে.......
ফলে সম্পর্কে থাকা অবস্থায় আমরা সবসময় প্রেমিক বা প্রেমিকার পাশাপাশি থাকতে চাই। আবার ব্রেকআপ হয়ে যাবার পর খুব তাড়াতাড়িই আমরা আরেকজন প্রেমিক অথবা প্রেমিকার প্রয়োজন অনুভব করি। এই অভাব পূরণ করতে গিয়ে আমাদের বুদ্ধি-বিবেচনা কিছুটা ভোঁতা হয়ে যায়। উল্টোপাল্টা কাজ করতে থাকি আমরা। কেউ কান্নাকাটি করি, কেউ বা অতিরিক্ত খাওয়া শুরু করি। কিন্তু একটা না একটা সময় আমাদের মস্তিষ্ক আবার তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়।
|
|
“একটা ভালো খবর হলো। গবেষণায় বলা হয়, পুরনো প্রেম ভুলতে গড়ে তিন মাস সময় লাগে মানুষের।“ (তথ্যটি collect করে নিলাম)
পুরনো প্রেমের কষ্টটা চিরস্থায়ী নয়। এই বিষাদের মুহূর্ত কেটে গিয়ে একটা না একটা সময় আমাদের জীবনযাত্রা স্থিতিশীল হয়ে পড়ে। আর যদি এই কষ্টটি অসহনীয় মনে হয়, তাহলে আপনাকে আরেকটা তথ্য দেই কাজে আসতে পারে,
“”””হৃদয় মুচড়ে আসা কষ্টটি কমাতে কাজে আসতে পারে সাধারণ প্যারাসিটামল। হাস্যকর মনে হলেও সত্যি। (তথ্যটি collected করে নিলাম) ....এর পাশাপাশি কাছের মানুষদের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলা, হালকা গল্পগুজব করাটাও অনেক শান্তি দিতে পারে আপনাকে। এ কারণে ব্রেকআপের পর নিজেকে মানসিক ভাবে একটু বিপর্যস্ত মনে হলে নিজের ওপর রাগ হবেন না। এটা প্রকৃতিরই নিয়ম।
নোট: এইখানে কিছু তথ্য জোগার করা হয়েছে, তথ্য গুলো ভুল হলে ক্ষমা দৃষ্টি চোখে দেখবেন।

নির্যাতন মধ্যে লক্ষ্যনীয় গুলো যেমন ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, শারিরিক এবং মানসিক নির্যাতন

জ্ঞান-বিজ্ঞান- প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে আর এমন সময় আমাকে “নারী নির্যাতন” প্রেক্ষিত বাংলাদেশ বিষয়ের উপর গবেষণা করতে হচ্ছে। যদিও আমার কাছে গবেষণাগার নাই তাই বলে বসে থাকলেতো হবে না। কোনো না কোনো মানুষকে এই ব্যাপারে কথা বলতে হবে তাই নাহ? আসলে আমাদের দেশে ‘নারী’ শব্দটি কি নির্যাতন ও শোষণের প্রতিশব্দে পরিণত হয়েছে? আসুন সামনের দিকে এগিয়ে যায় আমার বলার কি আছে এই লিখাতে।
|
|
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আসলেই এগিয়ে যাচ্ছে কিনা সেটা আমার থেকে আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। দিনের পর দিন পরিবর্তিত হচ্ছে আমাদের সমাজের কাঠামো, বিকশিত হচ্ছে আমাদের সুশীল সমাজ সভ্যতায়। যদিও এখনো পুরোপরি সভ্যতা ধারন করতে পারি নাই। তবে একটা সময় পুরোপরি হয়ে যাবে আশা করি আমি। পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে মানুষের জীবনযাত্রায়। উন্নত হচ্ছে দিনের পর দিন আমাদের এই বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়! নারী সমাজের সাফল্যের প্রতিধ্বনি শোনা যায় সর্বক্ষণে ও সর্বক্ষেত্রে। কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য, বন্ধ হয়নি-“নারী নির্যাতন” আর হবে কিনা জানিও না। যদিও আমরা মুখে ফটর ফটর করে বলি অনেক কমে গেছে আমাদের নারী নির্যাতন, আসলে কি কমে গেছে তা? আমাদের দেশের সর্বোচ্চ পদে যারা রয়েছে তারাই হচ্ছেন নারী......এক নজরে দেখেন দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলেরও প্রধান হচ্ছেন নারী আর মহান সংসদের স্পিকার পদেও স্বমহিমায় মাথা উঁচু করে আছেন একজন নারী। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের পদেও নারী। তার মানে বাংলাদেশের উচ্চ পদের মাথা গুলো হল এখন নারী। অথচ যখন ‘নারী নির্যাতনের’ বিষয়টি তাদের চোখের সামনে চলে আসে তখন তাদের হৃদয়ে যেন নীরবতার রক্তক্ষরণ প্রতিযোগীতায় নেমে যায় একের পর একেক জন। দেখি না তাদের মাঝে এর কোন সুরাহা আশার আলো প্রতিফলন ঘটাতে। ক্ষমতায় থেকে তারা সংবাদ সম্মেলনে দুই চারটা কথা বলেই মনে করে তাদের কাজ শেষ। এই যে ক্ষমতাধীন ব্যক্তিরা আপনারা সংবাদ সম্মেলনে দুই চারটা কথা বলেই কি মনে করেন এতেই কাজ হয়ে যাবে? এই সমান্যে প্রতিবাদে থেমে যাবে “নারী নির্যাতন”? নারী নির্যাতন যদিও এটা তাদের কাছে সাধারণ সব কিছুর মতই নিত্য ব্যাপার। অথচ দিনের পর দিন সাধারণ জনগনের কাছে “নারী নির্যাতন” অসাধারণ এক পরিণতি হয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে সেটার নজর আমাদের ক্ষমতাধিরশীলের চোখের নজরে পড়ছে না। ভবিষ্যেতে পড়বে কিনা জানি না। আমি গত কয়েক মাস ধরে খবরের কাগজ পড়ছি প্রতিদিন। প্রতিদিন সংবাদ পত্রের প্রথম পাতায় “নারী নির্যাতনের” চিত্র বা খবর মনকে হতাশা গ্রস্থ করে তুলেছে আমাকে। খবরের কাগজে পড়লেই চোখের সামনে সবার আগে আসে “নারী নির্যাতনের” খবরটি। দুনিয়ার এত খবর থাকতে যে আমার চোখে এইটা পড়ে কেন বুঝনা। আর এসব নির্যাতন মধ্যে লক্ষ্যনীয় গুলো যেমন ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, শারিরিক এবং মানসিক নির্যাতন, এমনকি হত্যা। হত্যাতো এখন খেলায় পরিণতি হয়েছে, কোন একদিন এই খেলার উপর প্রতিবেদন তৈরি করবো ভাবছি। যাইহোক নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে মারাত্মক হচ্ছে “মানসিক নির্যাতন”। যদিও আমি ছেলে কিন্তু এইটা বুঝতে পারি “মানসিক নির্যাতন” হচ্ছে খুব কষ্টদায়ক আর এ কারণে হয়তো-বা অনেক নারীর নীরব হাহাকার চার দেয়ালের ভেতরে ঘুরে বেড়ায়। বর্তমান আমাদের সমাজে নারীরা স্বামীর হাতে বেশি নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। শুধু কি স্বামীর থেকে নিপীড়নের শিকার হচ্ছে নারীর? মাঝে মাঝে আমার কাছে হাস্যেকর কথা বলাতে ভালো লাগে, তা-নাহলে কবে কোন ছেলে ক্ষেপে যায় আমার উপরে....... যাইহোক ইদানিংতো একটা অভিযোগও উঠে আসছে, প্রেমিকাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতেছে প্রেমিক হি হি হি হি। যাইহোক “শুধু কি স্বামীর থেকে নিপীড়নের শিকার হচ্ছে নারীরা?” তবে নারীরাও নারীর হাতে নিপীড়নের শিকার হন। এই যেমন ধরুণ শাশুড়ি ও ননদের কাছে, গল্প নয় ইদানিং এটা শুনা যাচ্ছে ঘরের ছোট বউরা, বড় বউদের হাতে মানসিক নির্যাতন শিকার হচ্ছে। আমার কথা কি বিশ্বাস হচ্ছে না তাইতো? কেন আপনারা স্টার প্লাস ও স্টার জলসা চ্যানেল দেখেন না? সেখানেতো দেখায়, এই চ্যানেল গুলোতে এইসব দেখায়তো, এই চ্যানেল গুলোর প্রভার আমার দেশের রমণী নারীদের মাঝে প্রচুর প্রভাব বিস্তার করছে।
|
|
“” ২০১৩ থেকে ২০১৪ এক বছরে বাংলাদেশে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ১৪টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তৈরি করা পরিসংখ্যানমতে, নির্যাতিত নারীদের মাত্র ২% আইনের আশ্রয় নেন।“” (এই তথ্যটি collect করেছি)
|
|
লোক লজ্জার ভয় এবং অন্তর্মুখীনতার কারণে অনেক নারী তার নির্যাতনের কথা লুকিয়ে রাখে। আসলে আমরা যে সমাজে বাস করি তা লুকিয়ে না রেখে উপায় ছিলো না, সমাজে নিজের এবং যে পরিবারে বসবাস করি সেই পরিবার সমাজের মাঝে ছোট হয়ে যাবে বলে বাধ্য হয়ে নারীরা নিজেই হজম করে নেই এই নির্যাতনকে। তাই তার না বলা কথা গুলো আর কেউ জানতেও পারেনা। সেসব যদি উঠে আসতো তাহলে প্রকৃত পরিসংখ্যানের চিত্র হয়তো শিউরে উঠার মতোই ভয়াবহ হয়ে যেতো। তাই আমার মতে নারীর প্রতি সব ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধ করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে এবং সমাজকে বদলাতে গেলে প্রয়োজন সচেতনতা, ধৈর্য, সহিষ্ণুতা এবং বহুমাত্রিক তৎপরতা......
আমি মনে করি সমাজে নারীর কঠোর আবস্থান তৈরি করতে পারবে, তাদেরকে –প্রথমত যা করতে হবে। নিজেকে ক্ষমতাহীন করে রাখার ধ্যান-ধারণা বদলাতে হবে এবং অবশ্যই নারী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। শিক্ষা, চাকরি, পুজি দিয়ে নারীকে স্বনির্ভর করে তোলার মানসিকতা অর্জন করতে হবে প্রতিটি পরিবারকে। তাহলেই আমাদের প্রত্যাশা নারী নির্যাতন মুক্ত একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণসহ অবস্থানের নিরাপদ সমাজ গঠন করতে পারবো।
|
|
নোট: এইখানে কিছু তথ্য জোগার করা হয়েছে, তথ্য গুলো ভুল হলে ক্ষমা দৃষ্টি চোখে দেখবেন।